Thokbirim | logo

১৪ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

গারো এলাকাগুলোতে করোনার অশনি সংকেত

প্রকাশিত : জুলাই ১১, ২০২১, ১৩:৩০

গারো এলাকাগুলোতে করোনার অশনি সংকেত

সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও করোনা ভাইরাস ধরা পড়ে ২০২০ সালের ৮ মার্চ। তারপর থেকে দেশে থেকে থেকে লকডাউন শুরু হয়। একটা সময় ছিলো করোনা আতঙ্কে সবাই  িআতঙ্কিত ছিলো। সবাই নিজ নিজ গ্রাম কি বাড়ি লকডাউন করে রেখেছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে করোনা ভাইরাস নিয়ে মানুষজনের মাঝে স্বাভাবিকতা চলে আসে।  আর এই স্বাভাবিকতা বা উনাসীনতাই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের জন্য। আমরা ভারতকে দেখে শিক্ষা নেইনি বরং সীমান্তের প্রত্যেক দ্বার ছিলো খোলা। লোকজন অবাধে  করেছে যাতায়ত। এর ফল আমাদের ভুগতে হচ্ছে এখন।

এখানে আমি বলতে চাই, গারো এলাকাগুলোতে সচেতনতা নিয়ে। আমরা পত্রিকার  মাধ্যমে জানতে পারি, হালুয়াঘাটে জয়রামকুড়া হাসপাতলের ৮জন করেনায় শনাক্ত হবার কথা। তারা নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন। এদিকে দুর্গাপুরেও আক্রান্ত হবার কথা জানা গেছে। আমার প্রশ্ন তারা কি সঠিকভাবে নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন? কিংবা শনাক্ত হবার আগে তাদের গতিবিধি, মিলামেশা কাদের সাথে কেমন ছিলো?

হালুয়াঘাটে সরকারি কর্মকর্তা কর্ণেলিউস কামার বাবা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। শুনেছি উনার মা-ও করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদিকে নলছাপড়া গ্রামের ডাক্তার করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এই তালিকা বেশ দীর্ঘ হবে কিন্তু আর তালিকায় যুক্ত করতে চাই না।

আমরা যদি দেখি তাহলে দেখতে পাবো সীমান্তের প্রায় ঘরেই সর্দিকাশি জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়ে আছে। কিন্তু তাদের ধারণা এ্ই জ্বর সিজনাল, করোনা না। ফলে পরীক্ষা করাতে যেতে চান না। আবার অন্য দিকে কেউ কেউ মনে করেন, প্রকাশিত একটি লেখায় পড়েছি- চু এবং খারি রান্নাকে করোনার ওষুধ মনে করছেন। এটা যে কতটা বোকামি আমরা এতোদিনে নিশ্চই বুঝে গেছি।

আমরা দেখতে পাচ্ছি, করোনার মহামারি দিনে দিনে গারো অঞ্চলগুলো ছড়িয়ে পড়ছে। তার জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী। এখন আমাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। আমাদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে হবে। আমাদের যে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। মিলে মিশে চু কিংবা যে কোনো খবার বা অনুষ্ঠান করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সাপ্তাহিক যে প্রার্থনা সেই প্রার্থনাও গির্জা ঘরে না গিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে করাই উত্তম বলে মনে করছি। মনে রাখতে হবে নিজে যদি করোনা থেকে বাঁচি তাহলে অন্যকেও বাঁচাতে পারবো।

আর এইসব যদি না মানি তাহলে আমরা কেউ-ই করোনা থেকে রক্ষা পাবো না।

।। আব্রি নকরেক, দুর্গাপুর।



 




সম্পাদক : মিঠুন রাকসাম

উপদেষ্টা : মতেন্দ্র মানখিন, থিওফিল নকরেক

যোগাযোগ:  ১৯ মণিপুরিপাড়া, সংসদ এভিনিউ ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫। 01787161281, 01575090829

thokbirim281@gmail.com

 

থকবিরিমে প্রকাশিত কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। Copyright 2020 © Thokbirim.com.

Design by Raytahost