Thokbirim | logo

৬ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২০শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

অসহায় সতিন্দ্র ত্রিপুরার চিকিৎসা সহায়তায় মানবিক আবেদন

প্রকাশিত : মে ২৫, ২০২১, ১০:৫২

অসহায় সতিন্দ্র ত্রিপুরার চিকিৎসা সহায়তায় মানবিক আবেদন

খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ০৫ নং ওয়ার্ডের ব্রজেন্দ্র কার্বারী পাড়ার সতিন্দ্র ত্রিপুরা (৫৫), স্ত্রী রুপক বালা ত্রিপুরা (৪৫) তার দুই মেয়ে এবং দুই ছেলে নিয়ে সংসার। দুই মেয়ের মধ্যে ছোট মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে এবং বড় মেয়ে অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। এবং ছোট দুই ছেলে একজন ৫ম শ্রেণিতে এবং আরেকজন ২য় শ্রেনিতে পড়েন।
সতিন্দ্র ত্রিপুরা (৫৫) গত ১৯ মার্চ ২০২১ ইং থেকে গলায় অজ্ঞাত এক রোগে ভুগতে শুরু করে।
দীর্ঘদিন টাকার অভাবে কোনো উন্নত চিকিৎসাও নিতে পারেনি। পরে তার স্ত্রী রুপক বালা দিন মজুরি করে যা রোজগার করে পায় তা দিয়ে অর্ধেক সংসারের খরচ করেন অর্ধেক স্বামীর চিকিৎসার জন্য জমা রাখেন। পরে জমানো অল্প টাকা নিয়ে গত মে মাসের ১১ তারিখে হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তারকে দেখান। ডাক্তার গলার রোগের ড্রেসিং করে পরবর্তীতে পরীক্ষা করে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। কিন্তু পরবর্তী টাকা না থাকায় আর কোনো চিকিৎসা নিতে পারেনি। এবং রোগের কোনো পরীক্ষাও করাতে পারেনি।

কোনোমতে স্ত্রীর দিনমজুরি উপার্জনে চলে তাদের সংসার। হতভাগ্য পরিবার পাইনি ছেলের উপার্জন, পাইনি কোন সরকারি সুযোগ সুবিধা। ভিটেবাড়ি ছাড়া নেই কোন তাহার সহায় সম্বল।

সতিন্দ্র আমাদের সমাজের কারো বাবা, কারো ছেলে, কারো ভাই, কারো শ্বশুর আজ সে সকলের ভালবাসা হতে অনেক দূরে কারন সে অসহায় দরিদ্র অসুস্থ একজন বাবা।

সমাজে এত বিত্তবান লোকের অভাব নেই। কিন্তু কেন আজ সে এত অবহেলিত একজন বাবা? কারন সে একজন গরীব অসুস্থ সতিন্দ্র ত্রিপুরা দীর্ঘদিন যাবৎ অজ্ঞাত এক রোগের ও আক্রান্ত হয়ে ভুগছে।

অভাবী পরিবার হওয়ায় নিয়মিত চিকিৎসা করাতে পারছেনা পরিবারটি এবং সময়মত ঔষধ কিনে খাওয়ানো সম্ভব হয়না। যেন পরিবারটির নুন আনতে পানতা ফুরার মত অবস্থা।

তাই তাহার সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন অসুখ, গলায় ব্যাথা, খেতে পারছে না ঠিক মতো। অজ্ঞাত রোগটি দিনদিন অস্বাভাবিক হয়ে উঠছে। ডাক্তার সতিন্দ্র ত্রিপুরাকে জরুরী ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন। না হলে সে মারা যেতে পারে।

কিন্তু দরিদ্র পরিবারটি যেখানে টাকার অভাবে রোগের পরীক্ষা করাতে পারছেন না সেখানে কিভাবে উন্নত চিকিৎসা করাবে তার পরিবারের পক্ষে এত টাকা ব্যয় করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বর্তমানে তিনি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

সতিন্দ্র ত্রিপুরার অাকুতি আমি বাঁচাতে চাই, হে ভগবান তুমি আমাকে বাঁচাও। আমি গরিব মানুষ তাই সকলের কাছে আর্থিক সাহায্যে আবেদন করেছি।

আজও সমাজের অনেক ধনী দানশীল বিত্তবান ব্যক্তি রয়েছে যাদের আর্থিক সাহায্যের হাত অনেক লম্বা তারা যদি চায় এই অসহায় পরিবারের প্রতি আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়াতে পারে, তাদের এই সহোযোগিতায় হয়ত বেঁচে যেতে পারে একটি দরিদ্র পরিবারের বাবা, স্বামী।

তাকে যারা আর্থিক সহোযোগিতা করতে চান নিচে
স্ত্রী রুপক বালা ত্রিপুরার মোবাইল ব্যাংকিং নাম্বার 01530060205 ( নগদ) 01873787429 (বিকাশ পার্সোনাল)
সাহায্য পাঠানোর আগে তার স্ত্রীর নাম্বারে কল দিয়ে নিশ্চিত করবেন।

সার্বক্ষণিক যোগাযোগ নিকটাত্মীয় মোবাইল নাম্বার – 01613813498 ( বিকাশ পার্সোনাল)।

“মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য”

আসুন আমরা অসহায় গরীব দরিদ্র পরিবারটির পাশে দাঁড়ায়, তাকে বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়িই। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বেঁচে যেতে পারে একটি পরিবারের সংসার। তারও ইচ্ছে হয় সাধ জাগে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার।

হয়তো আপনার একটি টাকাই তার বেঁচে যাওয়ার হতে পারে অবলম্বন। যেকোনোভাবে গোপনে অথবা প্রকাশ্যে তাকে আপনি সহযোগিতা করতে পারেন। আমাদের সকলের দানের হাত প্রসারিত মাধ্যমে মানবতা জেগে উঠুক।

।। আদিত্য ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি



গারো উত্তরাধিকার আইন এবং পুরুষদের স্বোপার্জিত সম্পত্তি বিষয়ক আইনের বই  ‘প্রবন্ধ সংগ্রহ’

প্রমোদ মানকিন স্মরণে কবি মতেন্দ্র মানখিনের কবিতা

করোনায় পাহাড়ি আদিবাসীদের সংকটময় জীবন যাপন

করোনায় কেমন যাচ্ছে আদিবাসীদের জীবন 

করোনাকালীন তিনটি কবিতা ।। মতেন্দ্র মানখিন

একজন ভালো মনের মানুষ ব্রাদার গিয়োম ।।  কিউবার্ট রেমা

ইকো-ট্যু‌রিজম প্রকল্প বানাম ১৭ কোটি টাকার হিস্যা

গারো ভাষায় জেগে ওঠার গান -হাই আনচিং খ্রেংনা




সম্পাদক : মিঠুন রাকসাম

উপদেষ্টা : মতেন্দ্র মানখিন, থিওফিল নকরেক

যোগাযোগ:  ১৯ মণিপুরিপাড়া, সংসদ এভিনিউ ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫। 01787161281, 01575090829

thokbirim281@gmail.com

 

থকবিরিমে প্রকাশিত কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। Copyright 2020 © Thokbirim.com.

Design by Raytahost