Thokbirim | logo

১৪ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

নিজ ভিটা ছাড়তে মায়া লাগে ।। জর্জ রুরাম

প্রকাশিত : অক্টোবর ১৩, ২০২০, ২৩:২৯

নিজ ভিটা ছাড়তে মায়া লাগে ।। জর্জ রুরাম

মিলিতা রুরামের ভিটায় নদী ভাঙন সন্নিকট। তার রান্নাঘর সরানো হয়েছে। তবুও সে পুরাতন বসতভিটা ছাড়তে চায় না সহজে। তার মা- বাবার কবর ভিটায়। বলে তার ছোট বোন মুক্তি রুরাম অবশেষে জোর করে পুরাতন ঘরবাড়ি সরিয়ে নিয়েছে আরো পশ্চিমে। বলে কিনা, ” নিজের ভিটা ছাড়তে মায়া লাগে। মা বাবার কবর রয়েছে পুরাতন ভিটায়।

প্রবীন রুরাম বল, “আমার তো কোন জায়গা জমিন নেই, কোথায় যামু।” সেও সরে এসেছে তার পুরাতন ঘরবাড়ি থেকে।

বুলিপাড়ার ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বর মো. শফিকুল ইসলাম বলছিল, “আমার বাড়ির কাছ দিয়েও সমান  ভাঙছে।

জানা গেল, গ্রামবাসীদের সাথে প্রতিবন্ধীরাও এ কর্মসূচিতে সামিল হয়েছে। তারাও নিজ ভিটা রক্ষার্থে বদ্ধ পরিকর। বড়ইকান্দি, বুলিপাড়া আশেপাশের যুবকরাও নদী ভাঙনরোধে কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাশ্রম দিচ্ছে।

ইতিমধ্যে বিগত ১১ অক্টোবর, দুর্গাপুর থানার বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক জনাব আ:আওয়াল গ্রামবাসীদের ১০০০ বস্তা প্রদান করেছেন স্বেচ্ছাশ্রম কর্মসূচির প্রথম দিনে। এছাড়াও দুর্গাপুর থানার বিএনপি’র অন্যান্য সংগঠনের সদস্যরা প্রথম দিনেই গ্রামবাসীদের সাথে স্বেচ্ছাশ্রমে সামিল হয়ে তাদের সহায়তা করেছেন। নিজের বাপ দাদার ভিটা কে ছাড়তে চায়? নেহাত বেকায়দায় না পড়লে কেউই পুরাতন স্মৃতিবিজড়িত ভিটা ছাড়তে রাজি নয়।বড়ইকান্দি গ্রামবাসীরাও চায় পুরাতন নিজ বসতভিটায় বসবাস করতে। তাই তারাও কামারখালি গ্রামবাসীদের ন্যায় কর্মসূচি শুরু করেছে কমিটির মাধ্যমে নদী ভাঙন রোধ করতে।

বিগত এক দশকে গারো পরিবার প্রায়ই অন্য জায়গায় সরে গেছে। অনেকে কুড়ালিয়া সড়কের কাছে বসতি গেড়েছে। কিছু পরিবার কামারখালি, বর্ডার সড়কের পশ্চিমে চলে এসেছে।

বড়ইকান্দি গ্রামের নদী ভাঙন অনেক দিনের। প্রতি বছর ভাঙন হয়েছে। এক কালে কলাপাড়া দক্ষিণ বড়ইকান্দি গ্রামে শুধু গারো পরিবারে ভর্তি ছিল। বসতিগুলো নদীর তীর থেকে অনেক দূরে ছিল।

এককালে নদীর পাড় দিয়ে কাঁচা রাস্তা ছিল। দক্ষিণ বড়ইকান্দিতে অনেকগুলো বড়ইগাছ ছিল রাস্তার দু’ধার দিয়ে। রাস্তা শিবগঞ্জ বাজারে এসে ঠেকেছিল। লোকেরা বলত, নদীরপাড়, মাঝখানও সড়ক রাস্তা। এই তিনটি রাস্তা শিবগঞ্জে এসে মিলেছে। মাঝখানে বেশ কয়েকবার কুড়ালিয়া গ্রামের উত্তরে মাঝখান রাস্তা ভেঙেছে।

গ্রামের উত্তরে মাঝখান রাস্তা ভেঙেছে বর্ষাকালে। ভাঙনটি শিব লিঙ্গ অবস্থানের দক্ষিণে। কামারখালি বাজারের দক্ষিণের গ্রাম বড়ইকান্দি। কাছাকাছি বুলিপাড়া গ্রাম পাশাপাশি। এখন নদীর পাড় গারো পরিবারগুলোর বসতভিটা নদীর অতল গহ্বরে। কুলুপাড়ার অবস্থান এখন নদীর মাঝখানে। এবারে অন্যান্য বছরের চেয়ে ব্যাপকহারে ভাঙছে। বড়ইকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবারে নদী ভাঙনের কবলে। কামারখালি গ্রামবাসীদের মতই এবার নদীর পাড় ভাঙন রোধে কমিটি গঠন করেছে। এলাকায় গারো ও বাঙালি পরিবারগুলো সম্মিলিতভাবে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছে। লক্ষ্য একটাই, আমরা নিজের বসতভিটা রক্ষা করতে চাই। নিজেরাই শুরু করেছে বিগত কয়েকদিনে।



ব্রাদার গিউম পেলেন নেদারল্যান্ড রাজার বিশেষ সম্মাননা ‘অ্যাওয়ার্ড অব দ্যা কিং

ইউটিউবটাই আমার ভালোবাসা ।। নীল নন্দিতা রিছিল

গারো ভাষা ও সাহিত্যের স্বরোপ-৪ ।। বর্ণমালা সংক্রান্ত কিছু তথ্য ।। বাঁধন আরেং

https://www.facebook.com/thokbirim/videos/782974379102661

লেখক ও মানবাধিকারকর্মী সঞ্জীব দ্রং

ব্রাদার গিউমের বাংলাদেশে বসবাসের সময় ৪০ বছর পূর্ণ হলো এই বছর। দীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে ব্রাদার বাংলাদেশের মানুষজনদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। সেই কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এই প্রথম বাংলাদেশে অবস্থানরত নেদারল্যান্ডবাসী ব্রাদার গিউম নেদারল্যান্ড রাজার বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার অ্যাওয়া্র্ড অব দ্যা কিং’ পেলেন। সেই সম্মাননা প্রাপ্তি নিয়ে কথা বলছেন বিশিষ্ট লেখক ও মানবাধিকারকর্মী সঞ্জীব দ্রং

Gepostet von Thokbirimnews.com am Freitag, 9. Oktober 2020




সম্পাদক : মিঠুন রাকসাম

উপদেষ্টা : মতেন্দ্র মানখিন, থিওফিল নকরেক

যোগাযোগ:  ১৯ মণিপুরিপাড়া, সংসদ এভিনিউ ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫। 01787161281, 01575090829

thokbirim281@gmail.com

 

থকবিরিমে প্রকাশিত কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। Copyright 2020 © Thokbirim.com.

Design by Raytahost