Thokbirim | logo

২০শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

 অলৌকিক স্বপ্ন ।।  বিরেশ বলেন, আমি মরেই গিয়েছিলাম, বেঁচে ফিরেছি  ।। ধীরেশ চিরান

প্রকাশিত : অক্টোবর ০১, ২০২০, ১৭:২০

 অলৌকিক স্বপ্ন ।।  বিরেশ বলেন, আমি মরেই গিয়েছিলাম, বেঁচে ফিরেছি  ।। ধীরেশ চিরান

বিরেশ একদিন সারারাত সকাল দশটা পর্যন্ত যে স্বপ্ন দেখলেন তা খুবই অদ্ভুত ছিলো। আসলে বিরেশ স্বপ্ন দেখছিলেন, নাকি অন্য কিছু সেটাও ঠিক মনে করতে পারছেন না। তিনি বললেন: আমি প্রতি দিনের মত খেয়ে রাতে ঘুমুচ্ছিলাম। তখন একজন বিশাল দেহের মানুষ যা পৃথিবীতে এধরনের মানুষ দেখা যায় না, এমন মানুষ এসে আমাকে ঘুম থেকে ধরে উঠিয়ে বলল, চল আমার সাথে। হঠাৎ এমন করে বলায় আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম কোথায়? বিশাল দেহের লোকটি বলল, চল আমার সাথে তখন দেখতে পাবে কোথায় তোকে নিয়ে যাচ্ছি। আমাকে বগলদাবা করে চলল সেই বিশাল দেহের লোকটি। আমার আর করার কিছুই ছিল না। যেতে যেতে সেই লোকটি আমাকে বলল: মানুষ মারা গেলে কোথায় যায় সেই সব জায়গা দেখানোর জন্য তোকে নিয়ে যাচ্ছি যাতে তুমি নিজ চোখে দেখতে পারো। যেতে যেতে হঠাৎ করে কোথায় যেন প্রবেশ করলাম। জায়গাটা দেখে একেবারে অচেনা মনে হল আমার। আমার জীবনদশায় এমন জায়গা কোথাও দেখিনি, এমন কি কারোর মুখেও শুনেনি কখনো। তবে মাঝে মধ্যে যারা মারা যাবার পর অর্থাৎ করে বেঁচে উঠে তাদের মুখে শুনা স্থান ও ঘটনার সাথে কিছুটা মিল খুঁজে পাচ্ছিলাম।

বিশাল দেহের মানুষকে আবার জিজ্ঞেস করলাম, তুমি আমাকে কোথায় নিয়ে আসছ? কিছুক্ষণ যেতেই বিশাল আকারের দরজা খুলে গেল এবং প্রবেশ করলাম। খানিকটা এগুতেই দেখতে পেলাম অনেক লোহালক্ষরের স্তূপ। বিশাল দেহের লোকটি দেখিয়ে বলল, এই যে দেখছ লোহা লক্ষরের স্তূপ সেটা কিন্তু কোন লোহালক্ষর নয়। তোমাদের পৃথিবীতে যখন কোন মানুষ মারা যায় তখন তার ব্যবহৃত জিনিস পত্র বা যে সব দ্রব্যাদি সোনা দানা টাকা পয়সা তাকে দিয়ে দেয় সেসব জিনিস এখানে জমা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে হয়। সাথে কোন জিনিসই নিতে পারবে না। শুধু গোদারা পারের জন্য পয়সা নিতে পারবে। দেখলাম ঐ স্তূপে অনেক গহনাপাতি অলঙ্কার ও হাড়ি পাতিলসহ দা’ কাঁচি এবং হরেক রকমের ব্যবহার্য দ্রব্যাদি জমে পর্বত প্রমাণ স্তূপ হয়েছে। আমি বিশাল দেহের লোককে জিজ্ঞেস করলাম, এখন কোথায় যেতে হবে ? লোকটা বলল মাত্রতো শুরু। যাওয়ার সময় রাস্তার আশেপাশে অনেক মানুষ দেখলাম। মানুষের মধ্যে পৃথিবীতে যে সব জাতের গোষ্ঠীর ও ধর্মের সাদা কালো মানুষ দেখা যায় সেব মানুষ। কিন্তু কেউ কারোর সাথে কথা বলে না। সবাই যার যার মত করে ঘুরছে, চলছে, কারোর কথা বলা বা দেখার সময় নেই যেন।

বিশাল দেহের মানুষের সাথে বেশ দূর যাবার পর এক জায়গায় দেখতে পেলাম একটা চেক পোস্টের মত বেশ কয়েজন লোক সেখানে কী যেন জিজ্ঞেস করছে। আবার কাউকে কাউকে অনেক রাগারাগি করছে। বিশাল দেহের মানুষ কী যেন তাদের সাথে বলল, আমাকে কোন কথা বলল না। সামনে যাবার জন্য শুধু ইশারায় একটা রাস্তা দেখিয়ে দিল। চেক পোস্টের দেখিয়ে দেওয়া পথ ধরে চলছি বিশাল দেহের লোকটার সাথে।

পথে যেতে যেতে দেখলাম অনেক মানুষকে বিশাল বিশাল আকারের কড়াইয়ে তেল দিয়ে ভাজছে, কাউকে কাউকে বিশাল আকৃতির করাত দিয়ে কাটছে, কিন্তু ভাজাও শেষ হয় না এবং কাটাও শেষ হচ্ছে না, শুধু আত্মচিৎকার শুলাম। এমন কত আশ্চর্য ঘটনা দেখতে দেখতে অগ্রসর হতে থাকলাম। এক জায়গায় আমাদের দাঁড়াতে বলল। আমরা দাঁড়ালাম। আমি লোকটাকে বললাম এখন কী হবে? সেই লোকটি বলল, এখন তোমাকে পরীক্ষা করে দেখবে তোমার নাম আছে কি না। কিছুক্ষণ পর কালো রং-এর বিশাল আকারে দুইটি খুঁটি বা খামবা যা তিন চারজন মানুষ একত্রে হাত ধরাধরি করেও থই পাবে না এমন বড় খামবা উপর থেকে নেমে এল নিমিষে। খামবার সামনে আমরা দাঁড়ালাম। খামবার সাথে সাথে উপর থেকে সিঁড়িও নেমে এল। তরতর করে দুই জন সাদা পোশাকধারী বিশাল বিশাল ডাইয়েরি নিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নেমে এল এবং কী যেন চেক করল ঐ ডাইয়েরিতে। বিশাল দেহের লোকের সাথে কী যেন কথা বলল। আমি তাদের কথা অর্থাৎ ভাষা বুঝতে পারলাম না। তবে স্পষ্টই বুঝলাম আমাকে নিয়ে কথা হচ্ছে। ডাইয়েরি চেক করার পর আমাদের ইশারায় পথ দেখিয়ে যেতে বলল। চোখের পলকে ঐ খামবা সিঁড়ি ও সাদা পোশাকধারী মানুষদ্বয় কোথায় গেল তা কিছুই তের পেলাম না। বিশাল দেহের মানুষ আমাকে বলল, পৃথিবী থেকে আসা সব মানুষদের এখানেই প্রথম চেক করে দেখা হয় ডাইয়েরিতে তার সম্পর্কে কী লেখা আছে। আমি বার বার বিশাল দেহের মানুষের কাছে জানতে চাইলাম, এই জাগাটা কোথায় এবং নাম কী। কিন্তু লোকটি আমার কথার তেমন উত্তর দিত না।

এবার বিশাল দেহের মানুষটি পথ চলতে চলতে আমাকে বলল, এই স্থান পৃথিবীর কোন স্থান নয় ! এটা এমন এক জায়গা সেটা তোমাদের পৃথিবীর বাইরে এবং অনন্তধামের মাঝের স্থান। তোমরা যখন পৃথিবী ছেড়ে চলে আস তখন এই স্থান দিয়েই আসতে হবে। এখান থেকেই পৃথিবীতে তোমার কৃত কর্মের পদে পদে জবাব দিতে হবে শেষ স্থানে পৌছা অবধি। বলতে পারো, এই স্থানটির নাম মধ্যস্থান। পৃথিবীতেও নয় এবং অনন্তধামেও নয়। এখানে একবার কেউ আসলে সাধারণত কেউ ফিরে যেতে পারে না।

দ্বিতীয় চেক পোস্টের ছাড় পাবার পর বিশাল দেহের লোকটার সাথে নির্দেশিত পথ ধরে চলতে থাকলাম। তখন চলতে চলতে সেই লোকটা আমাকে বলল, এবার তোমাকে একটা জায়গায় নিয়ে যাব, তুমি দেখবে, সেখানে কী হচ্ছে। বেশ কিছু দূর এগুতেই একটা পাহাড় দেখা গেল এবং নিচে একটা গর্ত। গর্তের ভিতরে বিশাল জায়গাজুড়ে বিভিন্ন ধর্মের বর্ণের ও জাতের হাজার হাজার মানুষ ঘুরছে আর ঘুরছে এবং তৃষ্ণায় কাতর হয়ে ছটফট করে হাঁপাছে। কেউ কারোর সাথে কোন কথা বলে না। বিশাল দেহের লোকটি আমাকে সেখানে খানিক ক্ষণ দাঁড়িয়ে দেখার জন্য বলল। আমি দাঁড়ালাম সেই গর্তের মুখের কাছে। কিছুক্ষণ পর কে যেন এসে গর্তের মধ্যে কী যেন ছুড়ে মারল। আমি লোকটিকে দেখতে পেলাম না। সাথে সাথে বিশাল বিস্ফুরণ হল সেখানে এবং দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে উঠল। সব মানুষের গায়ে আগুন জ্বলছে কিন্তু কোন মানুষই পুড়ে শেষ হচ্ছে না। সারা শরীরজুড়ে আগুন নিয়ে ছুটাছুটি করছে এবং ছটফট করছে তৃষ্ণায় যন্ত্রণায়। এক সময় আগুন নিভে গেল। সবাই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে জ্বালা যন্ত্রণায় ছটফট করে হাঁপাতে থাকল। বেশ কিছু সময় পরে উপর থেকে সাদা পোশাকধারী কিছু সংখ্যক নারীরূপী মানুষ কলস ও ঝাড়ু হাতে নিয়ে নেমে এল। নারীরূপী সাদা পোশাকধারী মানুষ কিছু কিছু মানুষের মুখে ঝাড়ুর দগা দিয়ে এক ফোটা এক ফোটা করে জল দিয়ে চলে গেল। তৃর্ষ্ণাত্ব অনেক মানুষই এক ফোটা জলের জন্য ছটফট করতে থাকল কিন্তু তারা কিছুই পেল না। এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিশার দেহের লোকটি আমাকে বলল: ইহলোকে থাকার সময় যারা যে রকম কাজ করে তারা এখানে সেরকম শাস্তি পায়। অনেকে তারা অনন্তধামে পৌছতে পারে না। এখানেই অনন্তকাল ধরে এই অবস্থায় থাকতে হবে। সাদা পোশাকধারীর জল ছিটানোর বিষয়ে বলল, ইহলোকে তাদের জন্য কেউ যদি প্রার্থনা করে থাকে তার আত্মার শান্তির জন্য তখন তাদেরকে পবিত্র জলের ফোটা দিয়ে কিছু জ্বালা যন্ত্রণা কমায়। আবার অনেকে ছাড়া পেয়ে যায়। তবে এই গর্তের ভিতরে গেলে কেউ ছাড়া পায় না। কাজেই ইহজগৎ বা পৃথিবীতে থাকাকালীন অবস্থায় সব কিছু করতে হবে, এখানে আসার পর কারোর কোন কিছুই করার নেই। এখানে শুধু আদেশ পালন করা ছাড়া কিছুই করার থাকে না। লোকটি আমাকে বলল, তোমরা যারা ইহজগতে আছ তারা যেন নিজেদের আত্মীয় স্বজন এবং সকল মৃত ব্যক্তিদের জন্য প্রার্থনা করো, যাতে সৃষ্টিকর্তা তাদের আত্মার কিছুটা শান্তি দেন। তারপর সে আমাকে বলল, এবার তোমাকে শেষ ধাপে অর্থাৎ শেষ চেক পোস্টে নিয়ে যাব। চল এখন সেখানে যাই।

আমরা আবার এক রাস্তা ধরে চলতে থাকলাম। চলতে চলতে লোকটি আমাকে অনেক কথা বলল মর্তলোক ও পরলোক বিষয়ে। বার বার আমাকে প্রার্থনার কথা বলল। এখানে মর্তরোকের রাস্তায় ও মাঝখানে যারা আছে তাদের জন্য প্রার্থনা করতে। কারণ এখানে একবার ঢুকলে কারোর কিছুই করার থাকে না। খানিকক্ষণ পর আমরা বিশাল এক নদীর ঘাটে পৌছলাম। দেখলাম সেখানে অনেক লোককে পার করছে। আবার সকলকে নৌকায় উঠতে দিচ্ছে না। গোদারা ঘাটে কী যেন চেক করছে এবং কী কী যেন বলছে আর বাদ দিয়ে নৌকায় উঠতে দিচ্ছে না। আমরাও ঘাটে এসে পৌছলাম। আমাকে দেখা মাত্রই একজন তেড়ে আসল এবং বলল: ও কেন আসছে এখানে বলে নৌকায় উঠা মুহূর্তে আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল ডাঙ্গায়। আর আমার সাথে যে বিশাল লোকটাকে অনেক রাগ করে বলল এখনি তাকে ফিরে নিয়ে যাও ইত্যাদি। ঐ বিশাল লোকটা আমাকে বলল এই সমস্ত জায়গা দেখানো ও বলার জন্য আমি তোমাকে এখানে এনেছি। তুমি সব স্বচক্ষে দেখেছতো ? এবার তোমাকে তোমার জায়গায় তোমার বাড়িতে যেতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে, মর্তলোকে থাকাকালীন সময়ে কিন্তু কোন খারাপ কাজ করবে না তোমরা। খারাপ করলে দেখেছতো কী হয়! আর হ্যাঁ, সৃষ্টিকর্তার নিকট সবার জন্য প্রার্থনা করতে হবে যাতে মধ্যস্থানে যারা আছে তারা যেন মুক্তি ও কিছুটা হলেও শান্তি পায়। এখন চল তোমাকে বাড়িতে নিয়ে যাই।

গারোদের বিশ্বাস মতেও পরলোক বলে  স্থান আছে যা মানুষ মারা যাবার পর সেই স্থানে যেতে হয় বিশাল নদীর গোদারা পার হয়ে। যার জন্য গারোরা মৃত্যুর সময় হাতে পয়সা দেয় গোদারা পার হওয়ার জন্য। গারোদের বিশ্বাস মতে অনন্তধাম হল চিকমাং পর্বত। অনন্তধামে ঢুকার আগে গারো পাহাড়ের বালপাকরাম মালভূমি হল মৃত ব্যক্তির আত্মার বা মিমাংদের খানিক বিশ্রাম ও প্রস্তুতির স্থান। এই বালপাকরামেই অনন্তধামে ঢুকার আগে চিদামাকে শেষ স্নান করে মিমাং মিসাল চা’রামে দুপুরের খাবার খেয়ে প্রস্তুতি নিয়ে চিরতরে চলে যায় চিকমাং পর্বত চূড়ায়। মৃত ব্যক্তির আত্মা বা মিমাং সেখানে গেলে আর কিছু করতে পারে না।

আমরা দু’জনই আবার যে পথ দিয়ে গিয়েছিলাম সেই পথ ধরেই আসতে থাকলাম। আসতে আসতে প্রথম গেট লোহালক্ষরের স্তূপে এসে পৌঁছলাম। গেট খুলে দিল আমরা যথারীতি মর্তলোকে প্রবেশ করলাম। তখনও আমার সাথে সেই বিশাল দেহের লোকটা রয়েছে। বাড়িতে এসে দেখি আমি মরে গেছি। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম এটা কী হল? লোকটি বলল এটি তোমার দেহ মরে গেছে এবং তুমি হল আত্মা। এখন তুমি এর ভিতর ঢুকো তবেই তুমি বাঁচবে। আমি বললাম আমি কীভাবে এই আমার মৃত দেহে ঢুকবো? তখন সেই লোকটা আমাকে বলল নাক দিয়ে ঢুকো। আমি বললাম কী করে সম্ভব এই ছোট নাক দিয়ে ঢুকা। তখন ঐ বিশাল দেহের লোকটা আমাকে ধরে জোরে ঠেলে নাক দিয়ে ঢুকিয়ে দিল। সাথে সাথে আমার ঘুম ভেঙে গেল। দেখি তখন সকাল দশটা বাজে। আসলে সারা রাত এবং দিনভর আমি মনে হয় মরে ছিলাম যা পরলোকে ঘুরে এসে আমার কাছে স্বপ্ন মনে হল। স্বপ্নই হোক আর সত্যই হোক আমি যে সব ঘটনা ও দৃশ্য দেখেছি তা যারা মরে জীবিত হয়ে উঠে তাদের বর্ণনার মতই আমিও দেখলাম। কাজেই ইহজগতেই সব ভালকাজ করতে হবে। পরোজগতে করার কিছুই থাকে না। আমার এখন মনে হয় কবি গুরু রবীন্দ্রনাথের সেই কাদম্বরীর মতই “কাদম্বরী মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই”। আমারও বলতে ইচ্ছে করছে আমি মরেই গিয়েছিলাম, বেঁচে উঠেছি।

 

বিরেশ চাম্বুগং। বয়স প্রায় ৭২-৭৩ বছর। বাড়ি মনসাপাড়া। জন্ম স্থান কলমাকান্দার রহিমপুর গ্রামে। বিবাহসূত্রে এখন মনসাপাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা। লেখা পড়ায় তেমন এগুতে পারেনি। তবে দীর্ঘ দিন রাণীখং মিশনের ক্যাথিখিস্ট মাস্টার ছিলেন। ছোট বেলা থেকে তিনি ধর্মকর্মের প্রতি বেশ অনুরক্ত ছিলেন। তিনি ক্যাথিখিস্ট মাস্টারের দায়িত্বকালে মানুষকে শুধু ধর্মই শিখায়নি নিজেও শিখেছেন অনেক কিছু। একজন ক্যাথিখিস্ট হিসেবে কাজ করতে গেলে ধর্মীয় অনেক কাজে যাজকদের সহযোগিতা করতে হয় এবং সকল নিয়ম কানুন পালন করতে হয়। ক্যাথিখিস্ট কাজের মাধ্যমে নিজেকেও একজন যিশুর প্রেরিত মনে করতেন তিনি। প্রেরিতদের মতই বিভিন্ন গ্রামে মানুষকে ধর্মের কথা বলতেন তিনি। বয়সভারে এখন অবসর। কিন্তু এখনও শক্ত সামর্থের মত বাড়ির অনেক কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। ব্যস্ততার মধ্যেও কোন শ্রোতা পেলে তার জীবনের স্মরণীয় দিনগুলোর কথা সহভাগিতা করতে ভুলেন না বিরেশ। তেমনি বিগত ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯-এ তার মৃত্যুপুরির স্বপ্নের কথা সহভাগিতা করে বললেন, আমি তখন মরেই গিছিলাম কিন্তু বেঁচে ফিরেছি। মৃত্যুপুরির কাহিনি বা গল্প হয়তো অনেকে শুনে থাকবেন যারা বেশ কিছু সময়য়ের জন্য মরে আবার বেঁচে উঠেছেন তাদের কাছে। বিরেশ চাম্বুগং-এর স্বপ্নের কথাও ঠিক সেই রকমই।

 

আরো লেখা…  

রেভা. বিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ ঢাকার নতুন আর্চবিশপ

একান্ত আলাপে “জুমাং” ব্যান্ডের ভোকালিস্ট রাসং চিসিম মুকুট

https://www.facebook.com/IndependentTVNews/videos/1211504035676807

আদিবাসী সাহিত্য নিয়ে বইমেলায় 'থকবিরিম'

একুশে বইমেলায় আদিবাসীদের সাহিত্য চর্চা নিয়ে হাজির হয়েছে #থকবিরিম প্রকাশনী। দেশসেরা প্রকাশনীগুলোর পাশাপাশি সমানতালে এগিয়ে এটি। এক নজরে দেখে নিন……….

Gepostet von independent24.tv am Freitag, 22. Februar 2019




সম্পাদক : মিঠুন রাকসাম

উপদেষ্টা : মতেন্দ্র মানখিন, থিওফিল নকরেক

যোগাযোগ:  ১৯ মণিপুরিপাড়া, সংসদ এভিনিউ ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫। 01787161281, 01575090829

thokbirim281@gmail.com

 

থকবিরিমে প্রকাশিত কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। Copyright 2020 © Thokbirim.com.

Design by Raytahost