Thokbirim | logo

১০ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

বনবিভাগ ইচ্ছাকৃতভাবে আদিবাসীদের জায়গা চিহ্নিত করে কাজ করছে।। অজয় এ. মৃ

প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০, ২২:৩৫

বনবিভাগ ইচ্ছাকৃতভাবে আদিবাসীদের জায়গা চিহ্নিত করে কাজ করছে।। অজয় এ. মৃ

গত ১৪ তারিখে ঘটনা ঘটিয়েছে, এর আগেও তারা করেছে। একই জায়গাতে। আসলে বন বিভাগ ইচ্ছাকৃতভাবে আদিবাসীদের জায়গা চিহ্নিত করে কাজ করছে। জবর দখলের নামে  এরা আদিবাসীদের জায়গা চিহ্নিত করে কাটে।  এবং আদিবাসীরা প্রটেস্ট করা শুরু করলে তারা বলে-আমরা জমি উদ্ধার করতে চেয়েছিলাম কিন্তু তাদের বাঁধার কারণে উদ্ধার করতে পারিনি। আসলে আদিবাসীরা জবর দখল করে নাই। আগে থেকেই তারা হাল-চাষাবাদ করে আসতেসে।কিন্তু চাষাবাদ জায়গাতে কেন তারা কাটবে? একমাত্র বাইরের মানুষকে দেখাতে চাচ্ছে যে, যখনই আমরা জবরদখল করতে চেষ্টা করছি তখনই আদিবাসীরা বাঁধার সৃষ্টি করে।

আমাদের প্রশ্ন হলো যে, আমাদের চেয়ে যারা প্রভাবশালী, যারা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় আছে তারা তো শত শত একর জমি দখল করে আছে, অরনখোলা মৌজার ভিতরেই আছে।এটা কেন কাটে না? এটা কেন উদ্ধার করতে পারে না? কেন তাদের আদিবাসীদের জায়গা গরিব মানুষের জায়গা, যেখানে আদিবাসীরা যুগ যুগ ধরে বসবাস করে আসছে সেটা চিহ্নিত করে কলাগাছ বা অন্য কিছু নষ্ট করছে, কাটছে?

এর আমরা ঘোর প্রতিবাদ করি। আমরা পাকিস্তান আমল থেকে যখন রিজার্ভ ফরেস্ট ঘোষণা করেছে তখন থেকেই আমাদের পূর্বসরীগণ প্রতিবাদ করে আসতেছে।এরপরে আমারা উচ্ছেদের প্রতিবাদ করে আসছি। আমাদের আদিবাসীদের এখানে অধিকার আছে এবং কীভাবে অধিকার আছে, কেন অধিকার আছে তার কারণও আছে।

আমরা যদি ইতিহাস দেখি তাহলে সেই ভুটিয়া প্রাইমারি স্কুল এটা সরকারিভাবে নিবন্ধিত কিন্তু এটা স্থাপিত হয়েছে ১৯১৫ সালে। বন আইন হয়েছে ১৯২৭ সালে। তাহলে বন আইনের আগেই আমাদের আদিবাসীরা বসবাস করে আসতেছে। সুতরাং আমাদের কাগজ থাকুক আর নাই থাকুক আমাদের রাইট আছে। বন আইন অনুসারেই আমাদের অধিকার আছে

বন অধিকার নিয়ে আমাদের একটি মামলা আছে। আমিই এটার প্রথম এপ্লিক্যান্ট ছিলাম। আমি এবং রবীন্দ্র সরেন আমরা দুজন স্বাক্ষরকারী। এবং আমাদের অধিকার নিয়ে রিপিটিসেন আছে সেটা চলমান। এটা চলমান থাকা সত্বেও কীভাবে আমাদের নোটিশ না করে না জানিয়ে কাটতে পারে। এটা আমাদের প্রশ্ন। সুতরাং যেটা করেছে সেটা বে-আইনি। এবং এখানকার যে কতিপয় বনকর্মকর্তা আছে তাদের এটা হইলো একটা দুষ্ট চিন্তা থেকে করা হয়েছে।

সুতরাং আমরা এটার প্রতিবাদ করি। একজন অসহায় নারীর লাখ টাকার ক্ষতি সেই বিষয়টিও আলোচানায় আসছে। এখন আজকে তো তারা বসে নাই তারিখ দিয়েছে। এসিল্যান্ড এসে বলছেন, ডিসির সাথে আলোচনা হয়েছে আমরা ২৪ তারিখ বসে একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আমরা আজকে ঘোষাণা দিয়েছি, যদি সেদিন সুন্দরভাবে সুষ্ঠ আলোচনা না করা হয় এবং ক্ষতিপূরণ বিষয়গুলো আলোচনা করা না হয় তাহলে আন্দোলন চলবে।

উন্নয়নের নামে তারা বন ধ্বংস করে আবার দোষারূপ করে আমাদের নামে যে, আমরা বন ধ্বংস করি। সুতরাং উন্নয়নের নামে বা বনজ গাছ লাগানোর নামে তারা প্রাকৃতিক বন ধ্বংস করে ফেলছে এটা তারা বলছে  না। তারা তাদের দোষ ঢাকার জন্য এই কাজগুলো করছে। আমরা দেখছি যে উন্নয়নের নামে আদিবাসীদের ক্ষতি করা হচ্ছে। সুতরাং এটা আমাদের জন্য চিন্তার বিষয়।  আমাদের আতঙ্কগ্রস্ত দেখে অর্থনৈতিকভাবে নিঃশ্বস করলে আমাদেরকে উচ্ছেদ করতে হবে না আমরা এখান থেকে আপনা থেকেই চলে যাবো।

ব্রিটিশ আমলের সেন্সাসে দেখা যায় ৯৮% এখানকার আদিবাসী জনগোষ্ঠী এবং ২% অ-আদিবাসী ছিলো। এখন বর্তমান সেন্সাসে গত বছর, গতবছরের আগের সেন্সাসে(ফিলিপ গাইনের সেন্সাস) দেখা যাচ্ছে যে, আদিবাসীরা হচ্ছে ৪৭%, ৬৮% হলো অ-আদিবাসী। সুতরাং কে এখানে জবর দলখ করছে? আমরা করেছি? না অ-আদিবাসীরা করেছে? এগুলো প্রশ্ন চলে আসে।

অনুলিখন : ম. মারাক, থকবিরিম।

 

রাজধানীর কোকাকোলায় স্বামী দিলিপ ম্রং-এর আঘাতে স্ত্রী মনিরা দালবৎ নিহত

দাবি পূরণে সাতদিনের আল্টিমেটাম, অন্যথায় টাংগাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা

https://www.facebook.com/thokbirim/videos/1163701897348748

সামাজিক বনায়নের নামে আদিবাসীদের নিজ বাসভূমি থেকে উচ্ছেদ ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ।

Gepostet von Thokbirimnews.com am Mittwoch, 16. September 2020

 

 

আদিবাসী সাহিত্য নিয়ে বইমেলায় 'থকবিরিম'

একুশে বইমেলায় আদিবাসীদের সাহিত্য চর্চা নিয়ে হাজির হয়েছে #থকবিরিম প্রকাশনী। দেশসেরা প্রকাশনীগুলোর পাশাপাশি সমানতালে এগিয়ে এটি। এক নজরে দেখে নিন……….

Gepostet von independent24.tv am Freitag, 22. Februar 2019




সম্পাদক : মিঠুন রাকসাম

উপদেষ্টা : মতেন্দ্র মানখিন, থিওফিল নকরেক

যোগাযোগ:  ১৯ মণিপুরিপাড়া, সংসদ এভিনিউ ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫। 01787161281, 01575090829

thokbirim281@gmail.com

 

থকবিরিমে প্রকাশিত কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। Copyright 2020 © Thokbirim.com.

Design by Raytahost