Thokbirim | logo

১৪ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

করোনাকালে কেমন আছেন রেভা. ফাদার শিমন হাচ্চা

প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ০২, ২০২০, ২০:৩১

করোনাকালে কেমন আছেন রেভা. ফাদার শিমন হাচ্চা

রেভা. ফাদার শিমন হাচ্চা দীর্ঘ সময় ধরে ময়মনসিংহ ক্যাথলিক মণ্ডলীতে বিশেষ অবদান রেখে যাচ্ছেন।বর্তমান সময়েও  তিনি নিয়মিত রুটিন মাফিক কাজ করে যাচ্ছেন।মাঝে তিনি কিছুদিনের জন্য অসুস্থ ছিলেন কিন্তু ঈশ্বরের আর্শিবাদে বর্তমানে ভালোই আছেন।

সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশও করোনার মহামারিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। ফলে অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যয় নেমে আসে সবার জীবনে। ঢাকা শহরে যারা চাকরি করতেন বিশেষ করে বিউটি পার্লারে কাজ করতেন যারা তাদের চলে যেতে হয় গ্রামে। আর গ্রামে যারা কাজ করতেন তাদের পড়তে হয় বিপাকে। করোনার এই পরিস্থিতে ফাদার শিমন হাচ্চা সুহৃদজনদের সহায়তায়  তাঁর পরিচালিত ধর্মপল্লি ঢাকুয়া মিশনের প্রত্যেক খ্রিষ্টভক্ত পরিবারকে খাদ্যসামগ্রীসহ আর্থিক সহায়তা দান করেছেন। এবং চাকরিবিহীন গ্রাম ফেরত বিউটিশিয়ানদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন।

করোনকালনীন মিশনের কার্যক্রম সম্পর্কে ফাদার বলেন- ‘আমদের ধর্মপল্লিতে ৪৫০জন পরিবার আছে। সেই ৪৫০ পরিবারকেই আমরা সাহায্য করেছি।  ৫ কেজি চাল ডাল, তেল এবং অন্যান্য সামগ্রীসহ কিছু টাকাও সহায়তা করেছি। আমাদেরকে বিভিন্ন সংস্থাও সহায়তা করেছে। যেমন- ময়মনসিংহ কারিতাস, তেইজি ব্রাদার, ময়মনসিংহ নটেরডেম কলেজ। তাদের মাধ্যমে আমরা আমাদের ধর্মপল্লির প্রত্যেক পরিবারকে সাহা্য্য করতে পেরেছি।। প্রত্যেক পরিবারকে আমরা সহায়তা দান সাহায্য করেছি।

তিনি আরো বলেন,  ‘আর কদিন আগে যারা বিউটিপার্লারে কাজ করতো  এখন বাড়িতে তাদের লিস্ট করে ২৯জনকে ২৫০০টাকা করে আর্থিক সাহা্য্য করেছি। এই কাজে আমাদের সহায়তা করেছেন তেইজে ব্রাদার।’

নিজের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে ফাদার বলেন, ‘আমার অবস্থা তো ভালোই। আপাতত মিশনের ভেতরেই আছি, বাইরে কোথাও বের হচ্ছি না। আর খুব কম সংখ্যক মানুষদেরকেই আমরা মিশনে ঢুকতে দেই। মিশনের সামনে বড় বড় করে সাইনবোর্ড-এ লেখা আছে- করোনা ভাইরাসজনিত কারণে মিশনে ঢোকা নিষেধ।’

রেভা. ফাদার শিমন হাচ্চা নিজের নিত্যদিনের রুটিন সম্পর্কে বলেন, আর আমার প্রতিদিনের রুটিন হলো-

ভোর ৪.৩০ মিনিটে ঘুম থেকে উঠি।

ভোর ৫.১৫ হাঁটাহাঁটি করি

সকাল ৬.৩০ মিনিটে মিশা দেই এর পর খাওয়া-দাওয়া করি এবং ল্যাপটবে খবরের কাগজ পড়ি তারপর

বিশ্রাম নিই।

সকাল ১০ :০০মি. সময় চা খাই। এবং লেখালেখি করি। আশা করি আগামী মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।

দুপুর ১২:০০মি. দুপুরেরআহার গ্রহণ করি।

বিকাল ৪-৫ মি. কম্পাউন্ডের ভেতরে ব্যায়াম করি, জগিং করি।

সন্ধ্যা ৬ : ০০মি. প্রাথর্না করি

সন্ধ্যা ৭ : ০০মি. রাতের খাবার গ্রহন করি

তারপর খবর দেখি, টকশো দেখি এবং

রাত ৮.৩০-৯ মধ্যে ঘুমাতে যাই।

এই হচ্ছে আমার করোনাকালীন প্রতিদিনের রুটিন ও কাজ।

তারপরে আমার যে পরিতিজন আছেন, যাদের সাথে আমার খুব পরিচিত তাদের আমি মোবাইলের মাধ্যমে খোঁজা খবর নেই।  তারা কেমন আছে, তাদের শারীরিক অবস্থা, পারিবারিক অবস্থা এইসব আর কি!

।। বিশেষ প্রতিনিধি, থকবিরিম

রংচুগালা।। আদি সাংসারেক গারো সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান

বিরিশিরি বালিকা বিদ্যালয়ের ইতিহাস ।। পর্ব-৪ ।। মণীন্দ্রনাথ মারাক




সম্পাদক : মিঠুন রাকসাম

উপদেষ্টা : মতেন্দ্র মানখিন, থিওফিল নকরেক

যোগাযোগ:  ১৯ মণিপুরিপাড়া, সংসদ এভিনিউ ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫। 01787161281, 01575090829

thokbirim281@gmail.com

 

থকবিরিমে প্রকাশিত কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। Copyright 2020 © Thokbirim.com.

Design by Raytahost