Thokbirim | logo

১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২৮শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

সমরাজ মারাক ।। মুক্তিযোদ্ধার মুখচ্ছবি

প্রকাশিত : আগস্ট ০৮, ২০২০, ০৯:৫৩

সমরাজ মারাক  ।। মুক্তিযোদ্ধার মুখচ্ছবি

একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা সমরাজ মারাক ওরফে সম্রাট রিছিল (লাল মুক্তিবার্তা নং-০১১৫১০০০০২) ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার গোবরাকুড়া গ্রামের নিবাসী। তার জন্ম ১৯৫২খ্রিষ্টাব্দের ১২ ফেব্রুয়ারি। তার পিতার নাম মইনাদি চিসিম ও মাতা বিদ্যামনি রিছিল।

১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের এপ্রিল মাসে গোবরাকুড়া গ্রামের সাখিনাথ পাথাং, পুলক রাংসা, কাজল সাংমা, প্রদীপ তজু, ভুটিয়াপাড়া গ্রামের উইলসন চিরান, ধলাপানি গ্রামের কার্নেশ চিসিম, হার্ডসন সাংমা, দিপসন সাংমা, কালিয়ানীকান্দা গ্রামের ম্যানুয়েল চিগিচাক, ভুবনকুড়া গ্রামের সরচরণ সাংমার সাথে তিনি দুমনিকুড়া গ্রামের মধ্য দিয়ে ভারত সীমান্ত পাড়ি দিয়ে রংরা ক্যাম্পে যান। সেখান থেকে বাঘমারা ক্যাম্পে এবং মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রিক্রুট হয়ে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা জেলার ১৩ কি.মি দক্ষিণে রংনাবাগ নামক ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণ নেন।

একমাসের প্রশিক্ষণে তিনি থ্রি নট থ্রি রাইফেল, টু-ইঞ্চি মর্টার, এলএমজি, এসএমজি, এসএলআর, গ্রেনেড চার্জ ইত্যাদি চালানোর কলাকৌশল ও দক্ষতা অর্জন করেন। পরে তিনি তিন দিনের জঙ্গল ট্রেনিং নেন। ট্রেনিং শেষে তিনি ‘নাজমুল কোম্পানি’তে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হয়ে ময়মনসিংহ জেলার নকলা, তেলেখালি, কড়ইতলা, বান্দরকাঁটা রনাঙ্গনে যুদ্ধ করেন।

যুদ্ধের নেতৃত্বে ছিলেন সেক্টর কোমান্ডার কর্নেল আবু তাহের। তাঁর ৩ নং কোম্পনিতে কোম্পানি কমান্ডার ছিলেন নাজমুল হক। নাজমুল হকের মৃত্যুর পর ডা. উইলিয়াম ম্রং এই কোম্পনির দায়িত্ব নেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি উইলিয়াম কোম্পানির একজন ইঞ্জিনিয়ার বিভাগের মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তারা বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী শিবির স্থাপন করে যুদ্ধ করতেন। ভারত বাংলাদেশ বর্ডারে গাছুয়াপাড়া বিএসএফ ক্যাম্প থেকে যুদ্ধ করতেন।




সম্পাদক : মিঠুন রাকসাম

উপদেষ্টা : মতেন্দ্র মানখিন, থিওফিল নকরেক

যোগাযোগ:  ১৯ মণিপুরিপাড়া, সংসদ এভিনিউ ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫। 01787161281, 01575090829

thokbirim281@gmail.com

 

থকবিরিমে প্রকাশিত কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। Copyright 2020 © Thokbirim.com.

Design by Raytahost