Thokbirim | logo

২০শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

টেক্সাসের ডাইরি -তিন ।। সুমনা চিসিম

প্রকাশিত : ডিসেম্বর ০৩, ২০১৯, ২৩:৫৫

টেক্সাসের ডাইরি -তিন ।। সুমনা চিসিম

গতকাল আবহাওয়া ছিল কিছুটা নাজুক। ঠান্ডা, বৃষ্টি ও সাথে ঠান্ডা বাতাস। আগে থেকেই প্ল্যান ছিল সোফা কেনার। এমন নাজুক আবহাওয়া সত্বেও টগরী ও নিবিড়ের ছুটির কারণে কাউ বয়-এর এ টেক্সাস রাজ্য ঘুরে দেখার সুযোগ পেলাম আমরা। অর্থাৎ আমরা চারজন। ওদের সাথে আমিসহ মালবিকা। মজার মজার গল্প গুজবে এগিয়ে চলেছি পুরো রাস্তা জুড়ে। আমার জন্মে এমন রাস্তা দেখিনি। স্বভাবতই আমিই একমাত্র নতুন আগন্তুক । এরা আমেরিকান অনেকদিন থেকেই। তাদের কাছে মামুলি হয়তো—-!!

নতুন আগন্তুক হিসেবে বিষ্ময়কর আমার জন্য! মাথায় শুধু ঘুরপাক খায়, এখানকার ইঞ্জিনিয়ারগণ কি করে এমন রাস্তা বানায়–!! ভাবিয়ে তোলে! মাথায় ধরে না। কেমন করেই বা মাথায় ধরবে? যে দেশে একটাই রাস্তা থাকে। চলার সময় কত টেনশনে চলতে হয়! যাক সেসব।

এখানকার রাস্তাগুলোয় নির্দেশনা লেখা-ই থাকে। ট্রাফিক পুলিশ নেই। আপনা-আপনি সবাই নিয়ম মাফিক চলে। হর্ণ নেই রাস্তায়। শান্ত সুশৃঙ্খল! যার যার লেন ধরে চলে। ঠেলাঠেলি নেই। স্পিড মানানসই যেমন লেখা থাকে তেমনই। আর পৌঁছাতে যেমনটা সময় তেমনই সময়ে পৌঁছে যায়। বিশ মিনিট হলে বিশ মিনিট! দশ হলে দশ। ঘন্টা হলে ঘন্টা। এজন্যই তারা এগিয়ে আছে সর্বত্র।

আমার কাছে আরেকটি বিষ্ময়করই বটে! রাস্তাঘাটে হাঁটা লোকজনও নেই। একজনও দেখলাম না। শুধু গাড়ি আর গাড়ি। তাছাড়া রাস্তায় যত্রতত্র পার্কিং-ও নেই। নিয়ম হয়তো নেই। যার কারণে ট্রাফিক বা যানজট জ্যাম নেই!

চলতে চলতে শুধু মনে মনে ভাবি নিজ দেশের রাস্তাঘাত কত  গিঞ্জি, বিশৃঙ্খল, হাঁকডাক ও ঝগড়াঝাটি| মনে হলো এমন বিশৃঙ্খল রাস্তা রাস্তা থেকে না হয়  রক্ষা পেলাম! শান্তি – শান্তি বলে বলে— ঘুরছি– আর ঘুরছি–!! আবার চোখের প্রতিটি পলকে পলকে শুধুই দেখছি…দেখছি…এবং দেখছি!!




সম্পাদক : মিঠুন রাকসাম

উপদেষ্টা : মতেন্দ্র মানখিন, থিওফিল নকরেক

যোগাযোগ:  ১৯ মণিপুরিপাড়া, সংসদ এভিনিউ ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫। 01787161281, 01575090829

thokbirim281@gmail.com

 

থকবিরিমে প্রকাশিত কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। Copyright 2020 © Thokbirim.com.

Design by Raytahost